The best Side of চটি গল্প
The best Side of চটি গল্প
Blog Article
মা- বিয়েতে কত কিছু লাগে জানিস তো। ব্রামন লাগে অগ্নি সাক্ষী করে বিয়ে করতে হয়। সে কি করে হবে।
আমি- ঠিক আছে বলে মাকে আরেকবার জরিয়ে ধরে সারা পিঠে গায়ে হাত বুলিয়ে বললাম মা তুমি পরা থাক না খাওয়ার পর খুলবে।
মা- তুই কি বুঝবি বাবা আমার জ্বালা আমি বুঝি। আমার ভেতরটা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাছে।
মা- ইচ্ছে করে কিন্তু মিছে মিছে কি হবে পড়ে। মা ছেলের সংসার
দুজনে মিলে খেয়ে নিলাম ও আমি বারান্দায় ঘুমালাম আর মা ঘরে ঘুমাতে গেল। আমার ঘুম আসছিল না, শুধু মায়ের দেহের ছোয়া মনে পড়ছিল। মায়ের বিশাল দুধ দুটো আমার বুকের সাথে লেপটে ছিল, পিঠে ও পাছায় যখন হাত দিচ্ছিলাম ও কি আরাম লাগছিল, পাছাটা বিশাল বড় ওহ ভাবছি আর আমার লিঙ্গ দারিয়ে যাচ্ছে। আমি লুঙ্গি তুলে আমার ৭ ইঞ্ছি বাঁড়া হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগলাম উঃ কি সুখ লাগছে মাকে ভেবে। আবার ভাবছি নিজের মাকে নিয়ে এই সব না ঠিক না এ হয় না হতে পারেনা। আমার গর্ভধারিণী মাকে নিয়ে কি ভাবছি আমি। কিছুখন চুপচাপ পড়ে থাকলাম, কিন্তু আমার বাঁড়া মহারাজ যে নিচু হচ্ছে না। ভালো মন্দ ভাবতে ভাবতে মন্দের জয় হল এবং মাকে ভেবে ভেবে লিঙ্গ মর্দন করতে করতে বীর্য পাত করলাম ও ঘুমালাম।
আমার বাঁড়া তিরের মতন খাঁড়া হয়ে আছে তিড়িং তিড়িং করে লাফাচ্ছে মাকে চুদবো বলে ওহ বুক ধরফর করে কাঁপছে।
আমি- না দরকার নেই তুমি থাকলেই হবে অন্য কাউকে দরকার নেই। এভাবে প্রায় ২ ঘণ্টা কথা হল মায়ের সাথে। রাত সারে ১০ টা বাজে।
মা- কই মাছ আছে কিছু যা দেরী করলি। মা ছেলের সংসার
মা- আরে না সে আমি জানি কিছু সমস্যা হয় না, তুই জানতি না।
মা- যা কি বলছিস ৪২ বছর বয়সে নতুন বউ। বাদ দে এইসব কবে কি করবি সেটা choti বল।
নাহি বর্ণনার ছটা,ঘটনার ঘনঘটা, নাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশ।
মা- নারে বাবা আমার ভাল কপাল তোর মতন ছেলে পেয়েছি তুই আমার সব অভাব পুরন করেছিস বাবা।
মা- হ্যাঁ হবে এরকম হলেই হবে। বেশী বড় ভালনা মাঝারী সাইজে সাধ বেশী।
আমি- মা হয়েছে ওর তো রস পড়ে যাচ্ছে ভেতরে গিয়েছে।